হায়তো কাঁপে,হয়তো কাঁপেনা,দেখার দৈবচক্ষু নাই
অদৃশ্যে যিনি আছেন বসে, তাঁরে ফরিয়াদ জানাই
এছাড়া আমার,কী আছে করার,জানাই নমস্কার, হে কবি
ভালো থেকো তুমি, ভালো থাকুক বাংলা,হোক অঙ্গীকার ...
আমার কবিতার পংক্তি ছিলো
ঝরে পড়া পাতার মতো
কখন যে পাখি হয়ে ওড়ে গেলো হাওয়ায়
সে-কী আমার ব্যর্থতা প্রিয়...
বৃক্ষের জরায়ু ফেটে যে বেরিয়ে এলো
তাকে তুমি অপিচ বলছো
হোক সে ধুতরার ,তবুওতো ফুল
বৃক্ষ জানে পরাগায়নের যন্ত্রণা…
মাটির গভীরে আপলোড করা এক পুরোনো স্মৃতি
জন্ম বীজ।বৃক্ষ শুধু বৃক্ষ নয়,
তার শিকড়ে জড়িয়ে আছে ডেটা-কেবল,
রস উঠছে না, উঠছে সংকেত ,পরাগায়ন এখন
নোটিফিকেশন,ব্যথা মানে এক অনন্ত লোডিং স্ক্রিন।
ধুতরার সাদা বিষ পিক্সেল হয়ে ভেসে ওঠে,
তবুও সে ফুল ।
তুমি যে অপিচ বলো,আমি ডাকি অন্য নামে
অসম্পূর্ণ, অননুমোদিত, অ্যালগরিদম বহির্ভূত,
সে ফুটে ওঠে সিস্টেমের ভুল হিসেবের ভেতর
ধুতরার ফুলকেও তাই আমি ফুলই বলি
আমাদের অসুখের শেষ নেই
তথাগত কিংবা বর্তমান
সব যেন সমানে সমান!
যদি আবার সুস্থ হই তবে
সকল যুদ্ধের শেষে
শিখে নবো নৃবিজ্ঞান
যার পরতে পরতে আছে মনুষ্যত্বের উপাখ্যান ...
ধর্ম নয় কোন বিজ্ঞাপণ
নিষ্কাম আরাধনায় যেখানে হয় প্রাণের বিস্তার
জীবনগ্রন্থি থেকে কোমল রশ্মির মতো -
ছড়িয়ে পড়ে অসীমত্বের বিচ্ছুরণ।
যদি সুস্থ হই , দীর্ঘপথের ক্ষতগুলো যায় ভরে
গায়ে মেখে নেবো চারপাশের সংবেদনশীল আত্মার ক্রন্দন
রোগগ্রস্ত সময় আর অসহিষ্ণু ভয়াল মৃত্যুর হবে মুণ্ডুপাত
তখন, এখানেই হবে আমাদের মুক্ত প্রাণের অনন্ত সন্ন্যাস...